কুমিল্লার দেবীদ্বারের কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে জাফরগন্জ এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ঘটনাস্থলে এক সিএনজি আরোহী নিহত ও চালকসহ আরো ৩ জন গুরুতর আহতের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের কালিকাপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সিএনজি আরোহী মোঃ আব্দুল জলিল (৬৫) দেবীদ্বার উপজেলার ৩ নং সুবিল ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামের মৃত: আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি কি কারনে কোথায় যাচ্ছিলেন তার পরিবারের কেউ বলতে পারেননি। তবে তিনি হলুদ, মরিচের ব্যবসা করতেন বলে তারা জানান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা থেকে ব্রাক্ষনবাড়িয়াগামী একটি যাত্রীবাহী নিউ সুগন্ধা পরিবহন, কোম্পানীগঞ্জ থেকে ময়নামতিগামী একটি যাত্রীবাহী সিএনজিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সিএনজি আরোহী জলিল নিহত ও চালকসহ ৩ জন মারাত্মক আহত হন। আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা আহত সিএনজি চালক মো. ইসমাইল(২৬) জানান, তিনি কোম্পানীগঞ্জ থেকে ৩ যাত্রী নিয়ে ময়নামতি যাওয়ার পথে অনুমান বেলা সোয়া ১টায় সময় কালিকাপুর বাস স্ট্যাশনের পাশে পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি নিউ সুগন্ধা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সিএনজি টিকে চাপা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চালকের মাথা ফেটে যায়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এদিকে নিউ সুগন্ধা বাস চালক মো. রাজা মিয়া (৩৫)কে গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপার্দ করেন স্থানীয়রা। বাস চালক মো. রাজা মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।
এবিষয়ে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান জানান, নিহত বৃদ্ধ এবং সিএনজি চালকের পরিচয় পাওয়া গেলেও আহত অপর দু’জনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। আহতদের কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে, দূঘটনায় কবলিত বাস ও সিএনজি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। গণপিটুনিতে আহত বাস চালককে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।