
নাগরিক টেলিভিশনের সাংবাদিক, রূপগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক ও কবি-সাহিত্যিক মাহাবুব আলম প্রিয়র লেখা ছড়া ও কবিতার সমগ্র ‘নীরবতার অবসান’ বই উপহার হিসেবে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির (HRRS) কেন্দ্রীয় পরিচালক এবং জাতীয় দৈনিক চৌকস পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক হাসান হাওলাদার বাপ্পি।
সম্প্রতি মাহাবুব আলম প্রিয় তাঁর লেখা বইটি সাংবাদিক হাসান হাওলাদার বাপ্পির হাতে তুলে দেন। বইটি পাওয়ার পর এর লেখাগুলো পাঠ করে লেখকের সাহিত্যিক সত্তা, সমাজভাবনা ও বাস্তবতাভিত্তিক লেখনীর প্রশংসা করেন তিনি।
সাংবাদিক হাসান হাওলাদার বাপ্পি বলেন, একজন লেখকের নিজের লেখা বই উপহার হিসেবে পাওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। ‘নীরবতার অবসান’ হাতে নিয়ে পড়তে গিয়ে বইটির শুরুতে থাকা ‘লেখকের কিছু কথা’ বিশেষভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। সেখানে সাংবাদিকতা, লেখালেখি, সমাজ ও মানুষের প্রতি একজন কলমযোদ্ধার দায়বদ্ধতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, বইটিতে ছড়া ও কবিতার পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের নানা বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি উঠে এসেছে। কোথাও কবিতার কোমল ভাষায় মানুষের কথা বলা হয়েছে, আবার কোথাও ছড়ার ছন্দে সমাজের অসংগতি ও অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। লেখাগুলো পাঠককে শুধু আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি ভাবতেও উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে হয়েছে।
হাসান হাওলাদার বাপ্পির ভাষায়, একজন সাংবাদিক যেমন ঘটনার অন্তরালে থাকা সত্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন, তেমনি একজন কবি ও সাহিত্যিক তাঁর অনুভূতি, বিবেক ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন বাস্তবতা তুলে ধরেন। মাহাবুব আলম প্রিয়ের লেখায় সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার এই দুই সত্তার সমন্বয় দেখা যায়।
তিনি বলেন, ‘নীরবতার অবসান’ শুধু ছড়া ও কবিতার একটি বই নয়; এটি সমাজ ও বাস্তবতার একটি শব্দচিত্র। বইটির বিভিন্ন লেখায় মানুষের জীবন, সমাজের অসংগতি, অনুভূতি ও অনুচ্চারিত কথাগুলো ছন্দ ও শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
সাংবাদিক হাসান হাওলাদার বাপ্পি কবি ও সাংবাদিক মাহাবুব আলম প্রিয়ের সাহিত্যচর্চার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বলেন, তাঁর কলম আরও শক্তিশালী হোক এবং সমাজের মানুষের কথা ও অনুচ্চারিত বাস্তবতা তাঁর লেখনীর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাক।
উল্লেখ্য, ‘নীরবতার অবসান’ মাহাবুব আলম প্রিয়র ছড়া ও কবিতার সমগ্র। বইটির মাধ্যমে লেখকের সাহিত্যিক ভাবনা, সমাজ পর্যবেক্ষণ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার বিভিন্ন দিক পাঠকের সামনে উঠে এসেছে।