
মাত্র সাত বছর বয়সেই দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে নেমেছে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সাবিহা। নিয়মিত চিকিৎসা ও কেমোথেরাপির প্রয়োজন হলেও অর্থাভাবে তা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, সময়মতো ও ধারাবাহিক চিকিৎসা না পেলে যে কোনো সময় গুরুতর ঝুঁকিতে পড়তে পারে শিশুটির জীবন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কিডনির একটি অপারেশন করানোর পর বিভিন্ন পরীক্ষায় সাবিহার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘদিন তার চিকিৎসা চললেও বিপুল ব্যয়ের কারণে পরিবারটি আর সেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেনি। বর্তমানে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে সাবিহা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাবিহাকে নিয়মিত কেমোথেরাপি দিতে হচ্ছে। কিছুদিন পরপর প্রয়োজন হচ্ছে রক্তের। পাশাপাশি তার পা ও মেরুদণ্ডে মারাত্মক ঘা সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে প্রতিদিন ড্রেসিং করতে হচ্ছে। তীব্র যন্ত্রণায় প্রায়ই কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশুটি।
সাবিহার বাবা শহিদুল ইসলাম সদরপুর মহিলা কলেজে একজন অবৈতনিক শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন। সীমিত আয়ের এই শিক্ষকের পক্ষে মেয়ের চিকিৎসার বিপুল ব্যয় বহন করা এখন সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা চালিয়ে নিতে গিয়ে ইতোমধ্যে ধার-দেনা করেও পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।
বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন, শিশু ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সজীব কর্মকার জানান, সাবিহার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। নিয়মিত কেমোথেরাপিসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পেলে যে কোনো সময় তার জীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এ অবস্থায় সাবিহার পরিবার সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহায়তা কামনা করেছে। তাদের ভাষ্য, দ্রুত আর্থিক সহায়তা পেলে চিকিৎসা চালিয়ে গিয়ে শিশুটির জীবন বাঁচানো সম্ভব হতে পারে।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
শহিদুল ইসলাম (সাবিহার বাবা)
মোবাইল : ০১৭৩৪-৬৬৬২২৫ (বিকাশ ও নগদ)