
খেলার মাঠে নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছে পিকলবল। এই খেলায় দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে মাত্র তেরো বছর বয়সেই বিশ্বভ্রমণের সুযোগ করে নিয়েছে তরুণী এলসি ওয়াটার্স। ১৬-অনূর্ধ্ব জুনিয়র টুর্নামেন্টে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে সে এখন খবরের শিরোনামে। তার এই অবিশ্বাস্য সাফল্যে অনুপ্রাণিত হচ্ছে বিশ্বের অনেক উদীয়মান ক্রীড়াবিদ।
খেলার প্রতি এলসির নিবেদন ও কঠোর পরিশ্রম তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। প্রতিদিন অত্যন্ত ভোরে ঘুম থেকে উঠে নিজের সকালের নাশতা নিজেই তৈরি করে সে। এরপর আর সময় নষ্ট না করে সরাসরি অনুশীলনে নেমে পড়ে। তার এই আত্মবিশ্বাস ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপন খেলাধুলার প্রতি তার গভীর ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।
এলসির এই সাফল্যের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে। সে সময় মাত্র বারো বছর বয়সে সে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খেলায় পা রাখে। শুরুর দিকে পিকলবলের সামগ্রিক পরিবেশ বেশ অগোছালো ছিল এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়েরা মূলত শখের বসেই খেলতেন। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে খেলাটি পেশাদার রূপ নেয় এবং এলসিও নিজের দক্ষতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।
শখের খেলোয়াড়দের মাঝ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। কঠোর অনুশীলন এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সে আজ বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করেছে। কিশোরী এলসির এই জয়রথ ভবিষ্যতে তাকে আরও বহুদূর নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।