
পাবনা জেনারেল হাসপাতাল (যা স্থানীয়ভাবে পাবনা সদর হাসপাতাল নামে পরিচিত) এবং জেলার অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলোতে চিকিৎসার অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
হাসপাতালে নেই নিরাপত্তা রাত হলে ওয়ার্ড গুলোতে শুনা যায় ঘুমন্ত রোগী পাশে থাকা মোবাইল ব্যাগ নিয়ে চলে গেছে। স্হানীয় রোগীর স্বজনরা জানায় বকাটে কিছু স্হানীয় পোলাপান আছে রাতে হাসপাতালের মধ্যে মাস্ক পড়ে ঘুরে নেশা করে এবং হাসপাতালের ওয়ার্ড গুলোতে ঢুকে সুযোগ বুজে চুরি করে পালিয়ে যায়।
পর্যাপ্ত ফ্যান নেই ময়লা দূরগন্ধ মশা মাছিতে ভরা সদর হাসপাতাল, টয়লেট গুলোর অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ যা ব্যবহারযোগ্য নয় মনে হয় অপরিচ্ছন্ন নর্দমা, অসুস্থ রোগীর নেই গোসল এর পরিছন্ন জায়গা হাসপাতালের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী। শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের বারান্দা বা অপরিচ্ছন্ন মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।
দালাল ও বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য হাসপাতালের বহির্বিভাগ এবং জরুরি বিভাগে দালালদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেক সময় আনসার সদস্য বা কিছু অসাধু কর্মীদের সহায়তায় দালালরা রোগীদের সিরিয়াল ভাঙা বা বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো অনিয়ম করে থাকে।পরিচ্ছন্নতার অভাব হাসপাতালের শৌচাগার এবং ওয়ার্ডগুলোর নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে রোগীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ও রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে।ওষুধ ও সরঞ্জামের সংকট সরকারিভাবে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার কথা থাকলেও অনেক সময় রোগীদের বাইরে থেকে চড়া মূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে বাধ্য হতে হয়। সরকারি এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন হাসপাতাল পর্যাপ্ত থাকলে দেওয়া হয়না সাধারণ রোগীদের, এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন ঔষধ চলে যায় প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে। দেখা যায় সরকারি হাসপাতালের কর্মকর্তা এবং ডাক্তারগণদের নিজস্ব প্রাইভেট ক্লিনিক আছে সেখানে চলে যায় সরকারি ঔষধ কিছু ডাক্তারগন আছে হাসপাতাল থেকে নিজস্ব প্রাইভেট ক্লিনিকের রোগীকে ধরিয়ে দেয় ভিজিটিং কার্ড রোগী নিয়ে চলে ব্যবসা।
এমনকি এক্স-রে বা প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য অনেক সময় হাসপাতালের মেশিন নষ্ট থাকার দোহাই দিয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়।ডাক্তার ও স্টাফদের অনুপস্থিতি নির্ধারিত সময়ে অনেক সময় চিকিৎসকদের চেম্বারে পাওয়া যায় না
য়দিও পাওয়া যায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিগনদের সাথে চলে চা নাস্তা গল্প বলে অভিযোগ আছে। এছাড়া নার্স ও অন্য স্টাফদের বিরুদ্ধে রোগীদের খারাপ ব্যবহার অভিযোগ আছে।