
সমাজের অন্ধকার দূর করে ন্যায় ও সত্যের আলো ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মুফতি শামীম। অন্যায়, জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থান তাকে ইতোমধ্যেই সমাজে একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসহায়, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে আসছেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার ভূমিকা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত। সমাজকে মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রক্ষা করতে তিনি সচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, তার উদ্যোগে অনেক তরুণ মাদকের অন্ধকার পথ থেকে ফিরে এসেছে।
মুফতি শামীম শুধু বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ নন, তিনি বিশ্বাস করেন বাস্তব কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে একাধিকবার তাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি কখনো পিছিয়ে যাননি। বরং আরও দৃঢ়ভাবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
সমাজের কোনো মানুষ নির্যাতিত বা অবহেলিত হলে তিনি ঢালের মতো পাশে দাঁড়ান। এ কারণেই সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থা ও সাহসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
তবে তার এই ন্যায়নিষ্ঠ অবস্থান সবাই ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেনি। অভিযোগ রয়েছে, সমাজের কিছু অসাধু ব্যক্তি, দুষ্কৃতকারী ও মাদকসেবী চক্র তার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিভিন্নভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন ও তার কণ্ঠ রুদ্ধ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানা গেছে। কিন্তু এসব ষড়যন্ত্র তাকে তার লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মুফতি শামীমের মতো সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিরা সমাজের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কার্যক্রমকে সমর্থন করা গেলে সমাজ থেকে অন্যায় ও মাদকের বিস্তার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
এ বিষয়ে মুফতি শামীম বলেন, “সত্যের পথ কখনো সহজ নয়। তবুও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। কারণ শেষ পর্যন্ত সত্যই জয়ী হয়।”
তার এই দৃঢ় বিশ্বাস ও সাহসিকতা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন আশা জাগাচ্ছে।