1. Md12pl@gmail.com : News Admin News Admin : News Admin News Admin
  2. info@www.choice24.tv : NEWS TV : NEWS TV
  3. info@www.choice24.tv : TV :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

বহু বছরের বন্ধুত্ব, ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল তারা আসলে আপন বোন

চয়েজ টিভি নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বলিউডের সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানানো এক বাস্তব ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই নারী মীনা গেলটিঙ্ক ও মিনাল টিজেন। বহু বছর ধরে তারা একে অপরকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে জানতেন এবং কৌতুকচ্ছলে বোন বলে সম্বোধন করতেন। কিন্তু পরবর্তীতে একটি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে তারা নিছক বন্ধু নন, বরং একই বাবা-মায়ের রক্তে গড়া আপন বোন। এই বিস্ময়কর আবিষ্কার তাদের জীবনকে সম্পূর্ণ নতুন এক মোড় দিয়েছে এবং তাদের বহু দশকের সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।

আশির দশকের শুরুর দিকে ভারতের মুম্বাই শহরে জন্ম নেওয়া এই দুই শিশুকে জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই দুটি আলাদা নেদারল্যান্ডসের পরিবার দত্তক নেয়। দত্তক নেওয়া পরিবারগুলো কাছাকাছি বসবাস করায় শৈশবেই এক অনুষ্ঠানে মীনা ও মিনালের প্রথম দেখা হয় এবং তাদের মধ্যে অদ্ভুত শারীরিক ও আচরণগত মিল লক্ষ্য করা যায়। প্রথম দেখাতেই তাদের দুজনের মুখের গড়ন, নাক এবং হাসির ধরন দেখে সবাই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তারা নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখেন এবং বন্ধুত্বের সীমানা ছাড়িয়ে একে অপরের সঙ্গে গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

দীর্ঘদিন ধরে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের মাধ্যমে তারা তাদের জীবনের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেন এবং সংগীতের ক্ষেত্রেও তাদের পছন্দের হুবহু মিল পাওয়া যায়। কিন্তু জীবনের নানা ব্যস্ততা এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে একসময় তাদের নিয়মিত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং দীর্ঘ পনেরো বছর তারা একে অপরের থেকে দূরে থাকেন। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার একটি ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমে অপ্রত্যাশিতভাবে তাদের মধ্যকার জৈবিক সম্পর্কের সত্যতা প্রকাশ পায়। ফলাফল হাতে পাওয়ার পর তারা বুঝতে পারেন যে শৈশব থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত তাদের যে বন্ধুত্বের বন্ধন ছিল, তা মূলত রক্তের টানেরই বহিঃপ্রকাশ।

দীর্ঘ বিচ্ছেদ ও বহু বছর পর এই সত্য উদ্ঘাটিত হওয়ার পর গত আগস্ট মাসে দুই বোন অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশে পুনরায় মিলিত হন। বর্তমানে মীনা নেদারল্যান্ডসে এবং মিনাল ফ্রান্সে নিজ নিজ পরিবার ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করলেও তাদের মধ্যে যোগাযোগ আগের চেয়ে অনেক বেশি গভীর হয়েছে। শৈশবের সেই হারানো দিনগুলোর আফসোস কাটিয়ে তারা এখন একসঙ্গে জন্মস্থান মুম্বাই ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করছেন। পরিজনদের মতে, তাদের হাঁটাচলা ও কথা বলার ধরন দেখে এখনো মনে হয় যেন তারা কখনোই একে অপরের থেকে আলাদা ছিলেন না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
স্বত্ব: চৌকস মাল্টিমিডিয়া (লাইসেন্স নং-সি-২০৫৭১৫/২০২৫)  সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © choice24.tv    
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট