
দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি চাকুরের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে এবং নতুন এই কাঠামোর অধীনে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমোদনক্রমে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যা দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন এই গেজেটে কর্মচারীদের মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়ার হার এলাকাভেদে সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এবং মফস্বল এলাকার জীবনযাত্রার ব্যয় ও অন্যান্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বাড়ি ভাড়ার হার পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত সরকারি কর্মীরা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলের অবস্থান অনুযায়ী আলাদা অনুপাতে বাড়ি ভাড়া ভাতা সুবিধা ভোগ করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মেগাসিটি ঢাকা এবং অন্যান্য বড় ও উন্নত নগরীগুলোতে বাড়ি ভাড়ার হার তুলনামূলকভাবে বেশি রাখা হয়েছে যাতে সেখানকার উচ্চ ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রাখা যায়। অন্যদিকে, মফস্বল ও তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল অঞ্চলে বাড়ি ভাড়ার হার কিছুটা কম হলেও তা সামগ্রিক জীবনযাত্রার সাথে মিল রেখেই প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকার জন্য নির্ধারিত এই শতাংশের তারতম্য কর্মচারীদের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
সরকারের এই নতুন বেতন স্কেল এবং বাড়ি ভাড়ার প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ফলে দেশের লাখ লাখ সরকারি চাকরিজীবী ও তাদের পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, এই যুগোপযোগী পদক্ষেপে সরকারি কর্মচারীদের কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আরও অধিক নিষ্ঠার সাথে দেশের সেবা করতে পারবেন।