
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে সম্প্রতি এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো অঞ্চলে গভীর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার ঠিক একদিন পর স্থানীয় একটি জঙ্গল থেকে ওই কিশোরের নিথর দেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিহত কিশোরের বয়স প্রায় তেরো বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে ওই কিশোর নিখোঁজ ছিল এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বনাঞ্চলে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলামত সংগ্রহ করেন এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার নেপথ্য কারণ এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পুলিশ আশা করছে, খুব দ্রুতই এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচিত হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় জনসাধারণ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা এমন একটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ওপর জোর দিয়েছেন। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।