1. Md12pl@gmail.com : News Admin News Admin : News Admin News Admin
  2. info@www.choice24.tv : NEWS TV : NEWS TV
  3. info@www.choice24.tv : TV :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে নেপালে বেঁচে যান মার্কিন দম্পতি

চয়েজ টিভি নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নেপালে তীর্থযাত্রায় গিয়ে এক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার কবল থেকে শেষ মুহূর্তের একটি মাত্র সিদ্ধান্তে প্রাণে বেঁচে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সুয়ানি এলাকার এক দম্পতি। মিতা ও হেমন্ত পারিখ নামের ওই দম্পতি গত আগস্ট মাসে আরও কয়েকটি মার্কিন পরিবারের সঙ্গে পবিত্র কৈলাস পর্বত দর্শনের উদ্দেশ্যে নেপালে ভ্রমণ করছিলেন। দীর্ঘ ১৫ বছরের পরিকল্পনার পর তাঁরা এই তীর্থযাত্রার আয়োজন করেছিলেন এবং এটি তাঁদের জীবনের অন্যতম একটি লালিত স্বপ্ন ছিল।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৬ আগস্ট নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত এলাকায় আকস্মিক এক ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো একটি হিমবাহ ধসে পড়ার ফলেই এই মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সূত্রপাত হয়েছিল। কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় চোখের পলকে পানি, পাথর ও কাদামাটি চারপাশ ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং সেখানে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

দুর্যোগের সেই দিনটিতে হঠাৎ করেই মূল দল থেকে আলাদা হয়ে মাউন্ট এভারেস্ট দেখার সিদ্ধান্ত নেন মিতা ও হেমন্ত পারিখ। হেমন্ত জানিয়েছেন যে এভারেস্টের চূড়ায় না উঠলেও দূর থেকে সেটি দেখার তীব্র ইচ্ছা ছিল তাঁদের। সাধারণত অতিরিক্ত খরচ বা অন্যান্য ঝামেলার কারণে তাঁরা এমন পরিকল্পনা থেকে সরে দাঁড়াতেন, কিন্তু সেদিন অজানা এক আকর্ষণে তাঁরা ভ্রমণের পক্ষে মত দেন এবং এই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত তাঁদের জীবন রক্ষা করে।

এদিকে, এই প্রলয়ংকরী বন্যায় মিতা ও হেমন্ত যে ৪৭ সদস্যের বড় দলটির সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন, তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের সঙ্গে থাকা সাতজন স্থানীয় গাইডও এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। দীর্ঘ এক মাস পেরিয়ে গেলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়ার সেই স্মৃতি রোমন্থন করে এখনো বিস্ময় প্রকাশ করছেন এই মার্কিন দম্পতি।

সাম্প্রতিক এই বন্যায় নেপালে ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি অবকাঠামোর অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। কৃষিজমি, সেতু, সড়ক, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বেশ কয়েকটি সম্পূর্ণ গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দেশটির সরকারের প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই বিশাল ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে উঠতে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন হতে পারে, যা ২০১৫ সালের প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
স্বত্ব: চৌকস মাল্টিমিডিয়া (লাইসেন্স নং-সি-২০৫৭১৫/২০২৫)  সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © choice24.tv    
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট