1. Md12pl@gmail.com : News Admin News Admin : News Admin News Admin
  2. info@www.choice24.tv : NEWS TV : NEWS TV
  3. info@www.choice24.tv : TV :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন

হান্নান মাসউদের বক্তব্য নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, হাতাহাতিতে জড়াল এনসিপি ও ছাত্রদল

চয়েজ টিভি নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে সম্প্রতি হাতিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং বিএনপি সমর্থित ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও হাতাহাতির ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত আটজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে জাতীয় সংসদ অধিবেশনসহ বিভিন্ন জনসভায় হাতিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেন সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ওইসব বক্তব্যে তাঁদের দল ও স্থানীয় নেতৃত্ব সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির মতো অসত্য তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে স্থানীয় বিএনপিতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তাঁরা সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে সরব হতে শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ওই এলাকার রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, নির্ধারিত দিনে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ তাঁর অনুসারীদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ গেটে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীরা পথরোধ করেন। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময় শুরু হয় এবং একপর্যায়ে সংসদ সদস্য নিজেও তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাঁকে সভাকক্ষে নিয়ে যাওয়া হলেও বাইরে উত্তেজনা কমেনি। সভা চলাকালীন বাইরে থাকা এনসিপি কর্মীদের সঙ্গে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের পুনরায় কথা কাটাকাটি হয় এবং খবর পেয়ে সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে এমপি আবারও তর্কে অংশ নেন।

উভয় পক্ষের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারি শুরু হলে উপজেলা যুবশক্তির সদস্যসচিব সাইফুল ইসলামসহ ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন নেতা আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্যকে তাঁর বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির পরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিবেশ শান্ত করে। অন্যদিকে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল জানান, দুই পক্ষের উচ্চবাচ্য ও ধাক্কাধাক্কির পর প্রশাসনের সহযোগিতায় সংসদ সদস্যকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে দোষ চাপিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক শামসুদ্দিন তিবরিজ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দাবি করেন যে বিনা উসকানিতে তাঁদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বিপরীতে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হায়দার চৌধুরী বলেন, সংসদ সদস্যের উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদেই সাধারণ কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এদিকে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ দাবি করেন, কোনো কারণ ছাড়াই বিএনপির ক্যাডাররা তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ধাক্কাধাক্কির সময় তাঁর গায়েও আঘাত লেগেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
স্বত্ব: চৌকস মাল্টিমিডিয়া (লাইসেন্স নং-সি-২০৫৭১৫/২০২৫)  সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © choice24.tv    
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট