
ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তান ও ইরাকে সহিংস বিক্ষোভে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে ইরান সরকার খামেনির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।
ঘটনার পর পাকিস্তানের করাচি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট ভবনের রিসিপশন এলাকায় ঢুকে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাবাহিনী গুলি চালালে সেখানে ১০ জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হন।
পাকিস্তানেরই গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলে পৃথক সহিংসতায় আরও ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ-এ মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে দুজন নিহত হন। বিক্ষোভকারীরা কড়া নিরাপত্তা বলয়ের এলাকা গ্রিন জোন-এ প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। ওই এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অবস্থিত।
৮৬ বছর বয়সী খামেনিকে রাজধানী তেহরান-এ তার প্রাসাদ কম্পাউন্ডে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি প্রায় চার দশক ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সূত্র: The Guardian